সোমবার সাভারের একটি সোয়েটার ফ্যাক্টরিতে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেয়। বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষে এদিন শ্রমিকরা ফ্যাক্টরিতে ভাংচুর চালায় ও মারধর করে কয়েক কর্মকর্তাকে আহত করে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে কর্তৃপৰ একদিনের জন্য ফ্যাক্টরি ছুটি ঘোষণা করে। ভাংচুরের ঘটনায় অর্ধশতাধিক শ্রমিককে আসামি করে ফ্যাক্টরি কতর্ৃপৰ সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে।
জানা গেছে, মজুরি বৃদ্ধিসহ আট দফা দাবিতে সাভার মডেল থানাধীন কলমা এলাকায় অবস্থিত এক শ' ভাগ রফতানিমুখী সোয়েটার তৈরির প্রতিষ্ঠান 'হট ড্রেস লিমিটেড'-এর প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিক সোমবার সকাল আটটার দিকে ফ্যাক্টরিতে গিয়ে কাজে যোগ না দিয়ে কর্ম বিরতি পালন করতে থাকে। কতর্ৃপৰের কাছ থেকে দাবি আদায়ের কোন আশ্বাস না পেয়ে বিৰুব্ধ শ্রমিকরা সকাল ন'টার দিকে তৃতীয় তলায় অবস্থিত ফ্যাক্টরির অফিস কৰসহ কয়েকটি কৰ ভাংচুর চালায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে শ্রমিকরা ফ্যাক্টরির সহকারী প্রোডাকশন ম্যানেজার নজরম্নল ইসলাম, নিটিং ইনচার্জ মোশারফ হোসেনসহ কয়েক কর্মকর্তাকে মারধর করে। এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রম্নত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ আসার পর শ্রমিকদের অধিকাংশই ফ্যাক্টরি থেকে চলে যায় এবং অন্যরা ফ্যাক্টরির বাইরে অবস্থান করতে থাকে।
শ্রমিকদের দাবিগুলো হচ্ছে- ১. পিস্ রেট বৃদ্ধি, ২. সরকারী আইনানুযায়ী ঈদ বোনাস প্রদান, ৩. নাইট ডিউটি বন্ধ ও ডিউটি সময় সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যনত্ম নির্ধারণ, ৪. বেতনের বেসিক সরকারী নিয়মে প্রদান, ৫. বেতন দুপুর তিনটার মধ্যে প্রদান, ৬. চাকরির বয়স এক মাস হলেই সরকারী নিয়মানুযায়ী ঈদ বোনাস প্রদান, ৭. যে কোন অপারেটরকে ছাঁটাই করলে তাকে তিন মাস তেরো দিনের বেতন প্রদান এবং ৮. গাড়ি ভাড়া, বাসা ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা প্রদান।
শ্রমিকরা অভিযোগ করে বলেন- ফ্যাক্টরি কতর্ৃপৰ তাদের পিস্ রেট কম প্রদান করে। ঈদ বোনাস দেয় মাত্র ৪৯৫ টাকা। বেসিক বেতন দেয়া হয় ৬৪ টাকা। নাইট বিল ৪০ টাকা করে দিলেও তাও প্রদান করে দু' মাস পর। প্রতি মাসেই তাদের বেতন প্রদান করা হয় রাত ন'টার পর। নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত তাদের ডিউটি করানো হলেও কোন ওভার টাইম বিল দেয়া হয় না। চাকরির বয়স এক বছর না হলে ঈদ বোনাস দেয়া হয় না। কোন অপারেটর সামান্য অপরাধ করলেই বেতন ছাড়াই তাকে বের করে দেয়া হয়। এ সবের প্রতিবাদ জানালে ফ্যাক্টরি কতর্ৃপৰ তাদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করে থাকে। হুমকি দেয় মসত্মান বাহিনী দিয়ে 'সাইজ' করার। শ্রমিকরা অবিলম্বে তাদের দাবিসমূহ বাসত্মবায়নের দাবি জানান। ফ্যাক্টরি ম্যানেজার মিজানুর রহমান খান জানান, শ্রমিকরা রবিবার রাতে বেতন নেয়ার সময় কোন আপত্তি জানায়নি। সোমবার সকালে ফ্যাক্টরি এসে শোনেন যে, পিস্ রেট কম দেয়ার অভিযোগ তুলে শ্রমিকরা ফ্যাক্টরিতে ভাংচুর চালায় ও কয়েক কর্মকর্তাকে মারধর করে। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার প্রেৰিতে ফ্যাক্টরি একদিনের জন্য ছুটি ঘোষণা করা হয়। শ্রমিকদের দাবির ব্যাপারে তিনি জানান, মালিক পৰের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এ ব্যাপারে সিদ্ধানত্ম নেয়া হবে।সাভার মডেল থানার ওসি মাহাবুবুর রহমান জানান, গ-গোলের সংবাদ পেয়ে দ্রম্নত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। পুলিশ যাওয়ার পর আর কোন ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি। ফ্যাক্টরি কতর্ৃপৰের আশ্বাসের প্রেৰিতে পরে শ্রমিকরা চলে যায়। থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই রিফাত খান রাজিব জানান, ভাংচুরের ঘটনায় ফ্যাক্টরি ম্যানেজার মিজানুর রহমান খান বাদি হয়ে অর্ধ শতাধিক শ্রমিককে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
জানা গেছে, মজুরি বৃদ্ধিসহ আট দফা দাবিতে সাভার মডেল থানাধীন কলমা এলাকায় অবস্থিত এক শ' ভাগ রফতানিমুখী সোয়েটার তৈরির প্রতিষ্ঠান 'হট ড্রেস লিমিটেড'-এর প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিক সোমবার সকাল আটটার দিকে ফ্যাক্টরিতে গিয়ে কাজে যোগ না দিয়ে কর্ম বিরতি পালন করতে থাকে। কতর্ৃপৰের কাছ থেকে দাবি আদায়ের কোন আশ্বাস না পেয়ে বিৰুব্ধ শ্রমিকরা সকাল ন'টার দিকে তৃতীয় তলায় অবস্থিত ফ্যাক্টরির অফিস কৰসহ কয়েকটি কৰ ভাংচুর চালায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে শ্রমিকরা ফ্যাক্টরির সহকারী প্রোডাকশন ম্যানেজার নজরম্নল ইসলাম, নিটিং ইনচার্জ মোশারফ হোসেনসহ কয়েক কর্মকর্তাকে মারধর করে। এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রম্নত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ আসার পর শ্রমিকদের অধিকাংশই ফ্যাক্টরি থেকে চলে যায় এবং অন্যরা ফ্যাক্টরির বাইরে অবস্থান করতে থাকে।
শ্রমিকদের দাবিগুলো হচ্ছে- ১. পিস্ রেট বৃদ্ধি, ২. সরকারী আইনানুযায়ী ঈদ বোনাস প্রদান, ৩. নাইট ডিউটি বন্ধ ও ডিউটি সময় সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যনত্ম নির্ধারণ, ৪. বেতনের বেসিক সরকারী নিয়মে প্রদান, ৫. বেতন দুপুর তিনটার মধ্যে প্রদান, ৬. চাকরির বয়স এক মাস হলেই সরকারী নিয়মানুযায়ী ঈদ বোনাস প্রদান, ৭. যে কোন অপারেটরকে ছাঁটাই করলে তাকে তিন মাস তেরো দিনের বেতন প্রদান এবং ৮. গাড়ি ভাড়া, বাসা ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা প্রদান।
শ্রমিকরা অভিযোগ করে বলেন- ফ্যাক্টরি কতর্ৃপৰ তাদের পিস্ রেট কম প্রদান করে। ঈদ বোনাস দেয় মাত্র ৪৯৫ টাকা। বেসিক বেতন দেয়া হয় ৬৪ টাকা। নাইট বিল ৪০ টাকা করে দিলেও তাও প্রদান করে দু' মাস পর। প্রতি মাসেই তাদের বেতন প্রদান করা হয় রাত ন'টার পর। নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত তাদের ডিউটি করানো হলেও কোন ওভার টাইম বিল দেয়া হয় না। চাকরির বয়স এক বছর না হলে ঈদ বোনাস দেয়া হয় না। কোন অপারেটর সামান্য অপরাধ করলেই বেতন ছাড়াই তাকে বের করে দেয়া হয়। এ সবের প্রতিবাদ জানালে ফ্যাক্টরি কতর্ৃপৰ তাদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করে থাকে। হুমকি দেয় মসত্মান বাহিনী দিয়ে 'সাইজ' করার। শ্রমিকরা অবিলম্বে তাদের দাবিসমূহ বাসত্মবায়নের দাবি জানান। ফ্যাক্টরি ম্যানেজার মিজানুর রহমান খান জানান, শ্রমিকরা রবিবার রাতে বেতন নেয়ার সময় কোন আপত্তি জানায়নি। সোমবার সকালে ফ্যাক্টরি এসে শোনেন যে, পিস্ রেট কম দেয়ার অভিযোগ তুলে শ্রমিকরা ফ্যাক্টরিতে ভাংচুর চালায় ও কয়েক কর্মকর্তাকে মারধর করে। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার প্রেৰিতে ফ্যাক্টরি একদিনের জন্য ছুটি ঘোষণা করা হয়। শ্রমিকদের দাবির ব্যাপারে তিনি জানান, মালিক পৰের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এ ব্যাপারে সিদ্ধানত্ম নেয়া হবে।সাভার মডেল থানার ওসি মাহাবুবুর রহমান জানান, গ-গোলের সংবাদ পেয়ে দ্রম্নত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। পুলিশ যাওয়ার পর আর কোন ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি। ফ্যাক্টরি কতর্ৃপৰের আশ্বাসের প্রেৰিতে পরে শ্রমিকরা চলে যায়। থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই রিফাত খান রাজিব জানান, ভাংচুরের ঘটনায় ফ্যাক্টরি ম্যানেজার মিজানুর রহমান খান বাদি হয়ে অর্ধ শতাধিক শ্রমিককে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
No comments:
Post a Comment